ছবিটা ইরান বা মধ্যপ্রাচ্যের না।
যেই মুহূর্তে আমরা সবাই তেলের জন্য হাহাকার করছি ঠিক সেই সময় বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল রপ্তানিকারক একটি রাষ্ট্রের পোর্টে হামলা করেছে, যার আঘাত সরাসরি এসে লাগবে আমাদের মত দরিদ্র বিশ্বে।
এই সপ্তাহে ইউক্রেন রাশিয়ার মূল তেল কেন্দ্র গুলোতে আঘাত করে এত বেশী ক্ষতিগ্রস্ত করেছে যে রপ্তানি ৪০% কমে যেতে বাধ্য হচ্ছে এমনকি এর রিপেয়ার করার সময় আবার আঘাত করেছে (রেফারেন্স কমেন্টে দেওয়া আছে)।
সব মিলিয়ে ভারত মূল দামের চেয়ে বেশী দামে তেল কিনতে বাধ্য হচ্ছে কিন্তু কোন সোর্স পাচ্ছে না।
অছচ আমাদের দেশ এবং ভারত ফিলিপাইনের মত উন্নয়নশীল রাষ্ট্রের এখন একমাত্র ভরসা ছিল রাশিয়া।
তাতে অবশ্য সভ্যদের কিছু আসে যায় না।
উইনস্টন চার্চিল যখন কৃত্তিম দুর্ভিক্ষ তৈরি করে বাংলার মানুষকে পশুর মত হত্যা করছিল তখন সে মন্তব্য করে "এটা তাদের দোষ জনসংখ্যা এত বেশী কেন?"
আসলে এমন ক্রাইসিস মোমেন্টে রাশিয়ার তেলে হিট করা সোজা বাংলায় গরিবের পেটে ইচ্ছা করে লাথি মারা।
এবং এই কাজটি ইচ্ছা করেই করেছে বা তাকে দিয়ে করানো হয়েছে।
বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বেশী জ্বালানি রপ্তানি করছে আমেরিকা। তার এলএনজি রপ্তানি বিশ্বের প্রথম। যা বহু গুণ দামে বিক্রি হচ্ছে। তেলের উৎপাদনে সে বিশ্ব সেরা। তারপরেও কি দরকার ছিল গরিবের ক্ষতি করে আরও দাম বাড়ানোর? আর কত লাগে?
উত্তর সহজ। তার লাভ হোলেই চলে আমাদের ক্ষতিতে কার কি আসে যায়? চার্চিলের লিগ্যাসি ধরে রাখতে হবে না?
মোহাইমিন পাটোয়ারী

No comments:
Post a Comment