Tuesday, 2 June 2026
হাদি হত্যার সাথে ভারত সরাসরি জরিত যার প্রমাণ দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিস্তারিত ভিডিও তে
Friday, 1 May 2026
#গুরুত্বপূর্ণ....‼️ সম্পূর্ণ লেখা পড়ুন এবং কপি এবং শেয়ার করার অনুরোধ রইলো..!!
#বাংলাদেশের হঠাৎ এমন জঙ্গি নাটক দেখে ....
আপনার অনেক আশ্চর্য হচ্ছেন তাইনা...??
#আসুন তাদের মূল উদ্দেশ্য আপনাদের বোঝানোর চেষ্টা করি...!!
#আপনার অনেকেই জানেন পাকিস্তানি নাপাক সেনারা তাদের নিজের দেশের মধ্যে ওয়াজিরিস্তানের এবং বেলুচিস্তানের মুসলিমদের উপর অত্যাচার করছে...
#আর যখন এই সমস্ত বিষয়ে অন্য দেশ ...
তাদের প্রশ্ন করছে...
যে তোমরা নিজ দেশের মানুষের উপর কেন এমন অত্যাচার করছো..??
তখন তারা পার্লামেন্টে এটা বলছে ...
যে তারা ভারত এবং আফগানিস্তানের গোয়েন্দা...
এই জন্য আমরা তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছি..
আসলে এটা সত্য নয় বরং এটা নাপাক সেনাদের শুধুমাত্র একটি মিথ্যা সূত্র...
#১৯৭১ সালের কথা ভাবুন....
আমরা যদি এখন নাপাক সেনাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার কারণে জঙ্গি হয়ে থাকি...
তাহলে বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধারা কি..??
#যদি আমরা পাকিস্তানের এই অত্যাচারীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার কারণে জঙ্গি হয়ে থাকি..??
তাহলে আপনারা কিভাবে ১৯৭১ সালের নিজের দেশের যোদ্ধাদের মুক্তিযোদ্ধা দাবি করেন..??
তাহলে তারাও তো সন্ত্রাসী..!!
#শুধু এতটুকু মনে রাখবেন...
নাপাক সেনার বাংলাদেশে যেমন অত্যাচার করেছিল ...
তাদের দেশের মধ্যেও বিশেষ করে ওয়াজিরিস্তানের এবং বেলুচিস্তানের মুসলিমদের উপর....
এই দুটি স্থানে তারা বরাবরই অত্যাচার করে যাচ্ছে ...
যেমনটি বাঙালি মুসলিমদের উপর করা হয়েছিল...
আর এর আগে আপনারা দেখেছেন....
তারা আমেরিকাকে সহযোগিতা করে.....
আফগানিস্তানের উপর কেমন অত্যাচার করেছে এবং এখনো চলমান রেখেছে....
#এখন মূল পয়েন্টে আসুন...
#যে নাপাক সেনারা বাংলাদেশের উপর এত অত্যাচার করেছিল ....
হঠাৎ বাংলাদেশের মিডিয়া এখন তাদের সুনাম কেন করছে...??
#আপনার অনেকেই জানেন...
পাকিস্তানের জমিনে বাঙালি মুজাহিদের শাহাদাতের খবর গণমাধ্যমে প্রচার হয়েছে...
#আপনাদের কি মনে হয় ...??
এটা শুধুমাত্র গনমাধ্যমে সীমাবদ্ধ রয়েছে..??..না ভাইজান... ××
এটা পার্লামেন্টের রাজনীতি ইসুতেও নাড়া দিয়েছে....
#এর মধ্যে এই বিষয় নিয়ে বাংলাদেশের সেনাপ্রধান এবং পাকিস্তানের সেনাপ্রধানদের মধ্যে অনেকবার বৈঠক হয়েছে এবং আলোচনা হয়েছে...
#তারা মনে করে ...
এই হুমকি শুধু পাকিস্তানের নয় ..××
বাংলাদেশেরও টিটিপি মুজাহিদ উভয় দেশের জন্য একটিসাধারণ শত্রু...
একটি গোষ্ঠী যদি একটি দেশে অস্থিরতা তৈরি করতে পারে...
সেই অভিজ্ঞতা ও সক্ষমতা ব্যবহার করে অন্য দেশকেও আঘাত করা সম্ভব...
এজন্য তারা মনে করে...
এই অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের সাথে ভাগ করে নেওয়া উচিত...
যাতে করে দুই দেশের মধ্যে গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়..
যৌথ প্রশিক্ষণ এবং মুজাহিদদের যুদ্ধে অভিযানে একে অপরের সহযোগিতা করতে পারে...
তাদের বৈঠকের মধ্যে এটাই ছিল মূল আলোচনা...
#তাদের বৈঠকের পরে তারা কি বাস্তবায়ন করেছে...??
তারা ইতিমধ্যে হিজরতকারী যুবকদের অনেক পথ বন্ধ করে দিয়েছে....
#আপনারা সবাই জানেন...
আফগানিস্তান এবং পাকিস্তানি হিজরত করার জন্য...
বাংলাদেশ থেকে ডাইরেক্ট ভাবে সম্ভব নয় অথবা সহজ নয়..××
এরজন্য আরব দেশগুলো উত্তম ...
আরব দেশগুলোর মধ্য থেকে...
যেখানে আগে হিজরত করতে হলে...
কোম্পানির লেটার বা যে মালিকের কাজ করছেন...
তার লেটার পেলে...
পাকিস্তান অথবা আফগানিস্তান ভ্রমণ বিষয় আসা সহজ ছিল...
#কিন্তু সেই পথ পাকিস্তান এবং বাংলাদেশ এম্বাসি থেকে এখন সম্পন্ন বন্ধ করে দেয়া হয়েছে...
#আর হঠাৎ তারা যে নাটক শুরু করেছে... যে T.T.P কাফেলা বাংলাদেশের উপর আক্রমণ করেছে...
এটা শুধুমাত্র একটি সূত্র...
#যাতে করে তারা পার্লামেন্টে জবাব দেহি করতে পারে ...
যে তারা কেন পাকিস্তানের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে...
আর এটা তারা সম্পূর্ণ আমেরিকার নির্দেশে করছে এটা পরিস্কার...
#কারণ তারা মনে করে ...
বাংলাদেশ থেকে বড় সংখ্যায় হকপন্থী যুবকরা পাকিস্তানে হিজরত করছে...
আর এটা আটকানোর জন্য দুই দেশের গোয়েন্দা ব্যবস্থাপনা এক হওয়া আবশ্যক ...
এটাই তাদের মূল উদ্দেশ্য...
সত্যি বলতে বাংলাদেশে কোন T.T.P মুজাহিদ কাফেলা নেই..××
তাদের মূল উদ্দেশ্য বাংলাদেশ থেকে যারা হিজরত করছে তাদের আটকানো...!!
#কারণ তারা জানে পাকিস্তান যখন মুজাহিদদের দখলে চলে যাবে...
তখন কাশ্মীর এবং ভারতের উপর এর প্রভাব পড়বে...
#এটা আসলে শুধুমাত্র দুটি দেশের রাজনীতি বিষয় নয়..××
এটা সম্পূর্ণ পার্লামেন্টের রাজনীতি যা মুজাহিদদের বিরুদ্ধে করা হচ্ছে...
যেখানে তাদের মূল উদ্দেশ্য বাংলাদেশের যুবকদের হিজরত এবং জিহাদ থেকে দূরে রাখা...!!
#হয়তো কিছুদিন পরে দেখবেন দুই দেশের সেনারা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রচার করবে...
যে তারা জঙ্গি দমনে এক হয়েছে...!
#এখন হয়তো আপনারা অনেকে মনে করবেন...
তাহলে এখানে ভারতের নাম কেন উল্লেখ করা হলো...??
#সত্য এটাই যারা গণতন্ত্রের মধ্যে রয়েছে...
তারা সর্বদাই মুজাহিদের শত্রু এবং তারা মুজাহিদ দমনে একতা অবলম্বন করে ...!!
যেমনটি আপনারা ইউরোপদেশ গুলোকে দেখলে বুঝতে পারবেন...!!
সত্যি বলতে পাকিস্তান বা ভারত দুটি দেশেই মুজাহিদদের শত্রু...
#কারণ আপনারা কম বেশি সবাই জানেন....
কাশ্মীরের মধ্যে আমাদের যত বড় বড় মুজাহিদ শহীদ হয়েছে ....
তার পেছনে শুধু ভারতের হাত ছিল না..××
বরং পাকিস্তান সেনা এবং ভারতের সেনারা সম্মিলিত হয়ে তাদের শহীদ করেছিল....!!
#ভারত বলেন বা পাকিস্তান তারা কখনোই চায়না কাশ্মীর আজাদী হোক ...
বরং তারা দুই দেশ সম্মিলিত হয়ে কাশ্মীরকে ভাগাভাগি করে নিয়েছে....
এবং কাশ্মীরের মুজাহিদদের শহীদ করেছে...
যাতে কাশ্মীর আজাদ না হয়...××
#পাকিস্তানের নাপাক সেনারা কাশ্মীরের মুজাহিদদের দমনের জন্য তারা যেভাবে ভারতের সঙ্গে হাত মিলিয়ে ছিল...!!
#এখন আবার একইভাবে বাঙ্গালী হকপন্থী যুবকদের জিহাদ এবং হিজরত থেকে দূরে রাখার জন্য...
বাংলাদেশের সেনাদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে এবং নিজেদের গোয়েন্দা ব্যবস্থাপনা শক্ত করছে...!!
#এটাই কুৎসিত রাজনীতি...
আমেরিকার সেনা ব্যবহার করে যেমন তারা নিজ দেশের মুসলিমদের উপর অত্যাচার করছে....
এবং আমেরিকার কথা শুনে ...
এখনো আফগানিস্তানের উপর হামলা করছে...
একইভাবে বাংলাদেশের সেনাদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে বাংলার যুবকদের হিজরত এবং জিহাদ থেকে দূরে রাখার চেষ্টা করছে....!!
#সর্বশেষ কথা বলতে চাই....
যে পাকিস্তানের সেনারা ১৯৭১ সালে আপনার মা বোনের উপর অত্যাচার করেছিল...
এবং বর্তমান গা/জার মুসলিমদের বিরুদ্ধে ই/জরাইলকে সমর্থনের জন্য সে/না পাঠিয়েছিল...
এবং যারা হাজার হাজার আফগান, কাশ্মীর এবং পাকিস্তানে নিরীহ মুসলিম ও মু/জাহিদদের রক্ত ঝরিয়েছিল তারা কিভাবে আপনাদের কাছে আপন হতে পারে...??
#আর আপনাদের বাঙালি সেনারা যারা আফ্রিকা মহাদেশ
AQ মু/জাহিদদের বিরুদ্ধে লড়াই করছে....
তারা কিভাবে হকপন্থী মুসলিমদের সমর্থন করবে বা হকপন্থী মুসলিমদের আপন হবে..??
যতক্ষণ গণতন্ত্র আছে ততদিন তারা আপনাদের সেবা করবে....
কিন্তু আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠিতর জন্য আজ আওয়াজ তুলুন...
দেখবেন কাল আপনার দেশের সেনারা আপনার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে....
#আর পাকিস্তানের ঠিক এমনটাই হয়েছে ...
আমরা খিলাফত চেয়েছি...
এজন্য গণতন্ত্র পূজারী সেনাদের সঙ্গে আমাদের লড়াই চলমান রয়েছে...!!
#আশা করি আল্লাহর রহমতে বুঝতে পেরেছেন...
#ইনশাআল্লাহ আগামীতে আরো কিছু লেখার মাধ্যমে আপনাদের বোঝানোর চেষ্টা করব....
#লেখার মধ্যে অনেক ভুল ত্রুটি থাকতে পারে....
ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন....
#আল্লাহ সবাইকে সঠিক বোঝা এবং সঠিক পথ নির্ধারিত করবার তৌফিক দান করুক....!!
লেখক :
হিন্দুস্থানের জঙ্গি সন্তান
Monday, 30 March 2026
গণভোটে ১,০৭০ টাকা খরচ হয়েছে।
শুধুমাত্র গণভোটের জন্য প্রায় ১,০৭০ কোটি টাকা খরচ করা হয়েছে।
প্রচারের জন্য বিশেষভাবে ১৪০ কোটি টাকা (১.৪ বিলিয়ন টাকা) বরাদ্দ করা হয়েছিল।
ব্যানার-ফেস্টুন লাগানো, বিমানবন্দর ও পার্কে ভিডিও প্রদর্শন, সোশ্যাল মিডিয়া ক্যাম্পেইন এবং সহ অনেক কিছু।
এগুলো আমাদের রক্ত পানি করা টাকা।
এখানে গার্মেন্টস কর্মীদের টাকা আছে।
রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের টাকা আছে।
কৃষকের ঘামে ভেজা টাকা আছে।
সরকারকে কে এই ম্যান্ডেট দিল অপচয়ের?
একটা কথা আগেও বলেছি এবং এখনও বলছি "বাংলাদেশের জন্য সমাধান ছোট সরকার ও প্রাইভেটাইজেশন।"
আর এই দেশের দুঃখ হচ্ছে বাম।
বিষয়টি যত আগে বোঝা যায় ততই ভালো।
বর্তমান বিশ্বে যেই দেশ যত বাজারমুখী সে তত উন্নত। এমনকি চীনের মত দেশ তাদের অর্থনীতি সম্পূর্ন বাজারমুখী করেছে। সিঙ্গাপুর , হংকং এবং দুবাই তো আরও উজ্জ্বল উদাহরণ। এর থেকে শিক্ষা নিয়ে বর্তমানে চীন হাইনান প্রদেশকে শুল্কমুক্ত অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে। তার সু-ফলাফল ইতিমধ্যেই দেখা দিচ্ছে।
দেশের উন্নতি চাইলে ব্যবসার উন্নতি করেন। আর সরকার বাহাদুরের কর, ভ্যাট ও শুল্ক কমিয়ে আনেন।
টাকায় টান পড়লে অপচয় ও দুর্নীতি এমনিতেই কমে আসবে।
আর ব্যবসা ও বিনিয়োগের উত্তম পরিবেশ তৈরি হবে।
মোহাইমিন পাটোয়ারী
রমাদানে কাবুল হসপিটালে রোগীদের উপর এয়ার স্ট্রাইক চালানো পাকিস্তানি পাইলট অজ্ঞাত এক বন্দুকধারীর গুলিতে নিহত হয়েছে।
রমাদানে কাবুল হসপিটালে রোগীদের উপর এয়ার স্ট্রাইক চালানো পাকিস্তানি পাইলট অজ্ঞাত এক বন্দুকধারীর গুলিতে নিহত হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল,
আমি প্রথমে ধারণা করা হয়েছিল, এটি ভোয়া নিউজ তাই গতকাল পোস্ট দেয়নি।
পরে যাচাই-বাছাই করে দেখলাম ঘটনা সত্য।
এই পাইলটের নাম ছিল হুসেইন ইকবাল।
সে লাহোর শহরের ফয়সাল টাউন এলাকায়,
আল্লামা ইকবাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পথে অজ্ঞাত এক লোকের হাতে নিহত হয়েছে।
আলহামদুলিল্লাহ।
মুসলিমদের রক্তে হাত রক্তাত করলে এমন জিল্লতিই নসীবে জুটে।
সকল জালিম তার পাওনা বুজে পায় হয়তো কিছু সময় আগে নয়তো পরে।
Sunday, 29 March 2026
ইউক্রেন রাশিয়ার মূল তেল কেন্দ্র গুলোতে আঘাত করে এত বেশী ক্ষতিগ্রস্ত করেছে যে রপ্তানি ৪০% কমে যেতে বাধ্য
ছবিটা ইরান বা মধ্যপ্রাচ্যের না।
যেই মুহূর্তে আমরা সবাই তেলের জন্য হাহাকার করছি ঠিক সেই সময় বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল রপ্তানিকারক একটি রাষ্ট্রের পোর্টে হামলা করেছে, যার আঘাত সরাসরি এসে লাগবে আমাদের মত দরিদ্র বিশ্বে।
এই সপ্তাহে ইউক্রেন রাশিয়ার মূল তেল কেন্দ্র গুলোতে আঘাত করে এত বেশী ক্ষতিগ্রস্ত করেছে যে রপ্তানি ৪০% কমে যেতে বাধ্য হচ্ছে এমনকি এর রিপেয়ার করার সময় আবার আঘাত করেছে (রেফারেন্স কমেন্টে দেওয়া আছে)।
সব মিলিয়ে ভারত মূল দামের চেয়ে বেশী দামে তেল কিনতে বাধ্য হচ্ছে কিন্তু কোন সোর্স পাচ্ছে না।
অছচ আমাদের দেশ এবং ভারত ফিলিপাইনের মত উন্নয়নশীল রাষ্ট্রের এখন একমাত্র ভরসা ছিল রাশিয়া।
তাতে অবশ্য সভ্যদের কিছু আসে যায় না।
উইনস্টন চার্চিল যখন কৃত্তিম দুর্ভিক্ষ তৈরি করে বাংলার মানুষকে পশুর মত হত্যা করছিল তখন সে মন্তব্য করে "এটা তাদের দোষ জনসংখ্যা এত বেশী কেন?"
আসলে এমন ক্রাইসিস মোমেন্টে রাশিয়ার তেলে হিট করা সোজা বাংলায় গরিবের পেটে ইচ্ছা করে লাথি মারা।
এবং এই কাজটি ইচ্ছা করেই করেছে বা তাকে দিয়ে করানো হয়েছে।
বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বেশী জ্বালানি রপ্তানি করছে আমেরিকা। তার এলএনজি রপ্তানি বিশ্বের প্রথম। যা বহু গুণ দামে বিক্রি হচ্ছে। তেলের উৎপাদনে সে বিশ্ব সেরা। তারপরেও কি দরকার ছিল গরিবের ক্ষতি করে আরও দাম বাড়ানোর? আর কত লাগে?
উত্তর সহজ। তার লাভ হোলেই চলে আমাদের ক্ষতিতে কার কি আসে যায়? চার্চিলের লিগ্যাসি ধরে রাখতে হবে না?
মোহাইমিন পাটোয়ারী
ওরা যদি জ-ঙ্গীবাদের (গেরুয়া পতাকা) উড়াতে পারে আমি কেন আল্লাহর জমিনে তার তাওহীদের পতাকা উড়াতে পারবো না?
এটা ভারতের কোন দৃশ্য না, এটা হাজী শরিয়তুল্লাহ ও তিতুমীরের বাংলার দৃশ্য! খুবই হতবাক হচ্ছি এই দেশের অবস্থা দেখে ; কালিমার পতাকা উড়াতে আমাদের'কে নিষেধ করেছিল শাইখ আহমদুল্লাহ্, আজহারী সহ আরো বড় বড় আলেমরা অথচ এই কলিমার পতাকা হাতে নিয়ে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন সাহাবা( রাঃ)।
এখন ওই শাইখদের আমি খুঁজতেছি যারা সেদিন কালিমার পতাকা উড়াতে নিষেধ করেছে! তারা কোথায়?
প্রকাশ্যে একটি স্বাধীন ভূমিতে জ-ঙ্গীবাদের পতাকা উড়াচ্ছে কই এটার বিরুদ্ধে উনারা কথা বলতেছে না কেন? তারা চুপ কেন? কালিমার পতাকার বিরুদ্ধে যে রাষ্ট দাড়িয়ে গেছে এখন কেন তারা গেরুয়া পতাকার বিরুদ্ধে দাঁড়াচ্ছে না?
ওরা যদি জ-ঙ্গীবাদের (গেরুয়া পতাকা) উড়াতে পারে আমি কেন আল্লাহর জমিনে তার তাওহীদের পতাকা উড়াতে পারবো না?
বাংলাদেশে পতাকা উড়ানোর আইন হল :
বাংলাদেশে ধর্মীয় পতাকা ওড়ানোর জন্য সরাসরি কোনো আলাদা "ধর্মীয় পতাকা আইন" নেই, তবে 'বাংলাদেশ জাতীয় পতাকা বিধিমালা, ১৯৭২' (Bangladesh Flag Rules, 1972)-এ জাতীয় পতাকার সাথে অন্যান্য পতাকা (যেকোনো রঙিন বা ধর্মীয় পতাকা) ব্যবহারের ক্ষেত্রে কিছু সুনির্দিষ্ট ও বাধ্যতামূলক নিয়ম রয়েছে।
প্রধান নিয়মগুলো নিচে দেওয়া হলো:
১. উচ্চতা ও অবস্থান
জাতীয় পতাকার সাথে অন্য কোনো পতাকা ওড়াতে হলে জাতীয় পতাকাকে অবশ্যই সবার উপরে বা সম্মানজনক অবস্থানে রাখতে হবে।
সর্বোচ্চ অবস্থান: জাতীয় পতাকার উপরে অন্য কোনো পতাকা বা রঙিন পতাকা উত্তোলন করা যাবে না।
ডানদিকের অগ্রাধিকার: যখন দুটি পতাকা একসাথে ওড়ানো হয়, তখন জাতীয় পতাকা ভবনের ডানদিকে (দর্শকের বামদিকে) থাকবে।
সমান উচ্চতা নয়: অন্য কোনো পতাকা জাতীয় পতাকার চেয়ে উঁচুতে বা সমান উচ্চতায় ওড়ানো আইনত দণ্ডনীয়।
২. পতাকার আকার ও দণ্ড
জাতীয় পতাকার দণ্ড অন্য যেকোনো পতাকার দণ্ডের চেয়ে লম্বা বা অন্তত সমান হতে হবে।
জাতীয় পতাকার চেয়ে বড় আকারের কোনো ধর্মীয় বা গোষ্ঠীগত পতাকা একই সাথে প্রদর্শন করা উচিত নয়।
৩. বিশেষ ধর্মীয় দিবস
বাংলাদেশ সরকার ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)-সহ নির্দিষ্ট কিছু ধর্মীয় ও জাতীয় দিবসে সরকারি ও বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের নির্দেশনা দিয়ে থাকে। এসব দিনে জাতীয় পতাকার মর্যাদা রক্ষা করা বাধ্যতামূলক।
৪. আইনি পরিণতি
জাতীয় পতাকা বিধিমালার কোনো নিয়ম লঙ্ঘন করা হলে তা 'The Prevention of Insults to National Honour Act, 1972' অনুযায়ী অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়। এর জন্য জেল বা জরিমানার বিধান রয়েছে।
সহজ কথা: আপনি আপনার ধর্মীয় বা ব্যক্তিগত পতাকা ওড়াতে পারেন, তবে খেয়াল রাখতে হবে সেটি যেন কোনোভাবেই জাতীয় পতাকার চেয়ে উঁচুতে না থাকে বা জাতীয় পতাকার মর্যাদাহানি না করে। যদি একই স্ট্যান্ডে বা কাছাকাছি ওড়াতে চান, তবে জাতীয় পতাকাই থাকবে প্রধান এবং সবার উপরে।
Monday, 23 March 2026
আল জাজিরা আআফগানিস্তানের সরকারি লোকদের ঈদের নামাজের ভিডিও পোস্ট করেছে। আর সেই ভিডিওতে আরববাসীরা কমেন্ট করেছে
আল জাজিরা আআফগানিস্তানের সরকারি লোকদের ঈদের নামাজের ভিডিও পোস্ট করেছে।
সেই ভিডিওতে আরব বিশ্বের মুসলিমদের কিছু মন্তব্য তুলে ধরা হলো:
- এই বাহিনী আল-কুদসের মুক্তিদাতা এবং ইসলামের মর্যাদার রক্ষক,ইনশাআল্লাহ।
- আফগনিস্তান প্রকৃত অর্থেই স্বাধীন।
- ঈদ মোবারক,হে সত্যিকারের মুসলমানরা!
- আমাদের আশা এবং দো'আা আপনাদের ওপর।
- গাজার স্বাধীনতা নিশ্চিত করবেন আপনারা, ইনশাআল্লাহ।
- এই দেশের নেতা ও কর্মকর্তারা পৃথিবীর সেরা শাসক হবেন।
- তাদের দেখে মনে হয় আমরা নবী (স.)-এর সময়ে বাস করছি।
- একদিন তারা পুরো বিশ্ব পরিচালনা
- এবং শায়খ তোরাবোরা,ড. রহিমাহুল্লাহ'গণ আরবদের বুকে আলো জ্বালি গিয়েছেন।
- আল্লাহ তাআ'লা ই*মা&রতকে কবুল করুন।





