ডোনাল্ড ট্রাম্প ৪৮ ঘন্টার আল্টিমেটাম দিয়েছে, যদি ইরান ট্রেটও হরমুজ না খুলে দেয় তাহলে তিনি ইরানের সকল বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে আক্রমণ করে গোটা দেশটিকে অচল করে দিবে।
তিনি যদি এই কাজ করে তাহলে হসপিটাল থেকে শুরু করে নবজাতক শিশুরা যারা হসপিটালে ক্রিটিকাল অবস্থায় থাকবে তারাও মারা যাবে। এখনকার সময় সবকিছুই বিদ্যুৎ নির্ভরশীল এবং সভ্য দেশ কখনো আরেকটি দেশের বিদ্যুৎ কেন্দ্রে আক্রমণ করে না।
তারা যে আন্তর্জাতিক আইনের কথা বলে সেখানেও বেসামরিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে আক্রমণ করা বৈধ না কিন্তু আন্তর্জাতিক আইন খাটে শুধু আমাদের জন্য।
যদিও ইরানের পক্ষে কোন মুসলমানদের সরাসরি কিছু বলেনি, স্পেনের প্রধানমন্ত্রী Pedro Sánchez ইরানের আক্রমণকে নিন্দা জানিয়ে বলেছেন এটি আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন এবং অবৈধ একটি যুদ্ধ।
এছাড়াও তিনি একই সাথে ইসরাইল থেকে রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার করেছেন এবং সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ইজরাইলি কোন অস্ত্র তার দেশ এখন থেকে কিনবেন ও না, তাদের কাছে অস্ত্র বিক্রিও করবেন না।
আমেরিকার সাথে অর্থনৈতিক এবং কূটনৈতিক স্বার্থ থাকার পরেও তিনি এরকম সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবং এত চড়া কথা ট্রাম্পের বিরুদ্ধে বলেছেন, যা অর্থনৈতিকভাবে সাবলীন এবং সামরিকভাবে মোটামুটি শক্তিশালী মুসলমান দেশ ও এখন পর্যন্ত বলেনি।
এছাড়াও এই কয়দিনের মধ্যে ইসরাইল লেবাননে আবার আক্রমণ করেছে যার ফলে 1000 লেবানিস মারা গেছে যার মধ্যে রয়েছে অনেক শিশু। বাড়ি ছেড়েছে 10 লক্ষনের লেবানিজ নাগরিক যেটি একটি বিশাল হিউম্যানিটেরিয়ান ক্রাইসিস যা কোন বিশ্ব মিডিয়া কাভার করছে না।
📝 Asif Mahtab Utsha

No comments:
Post a Comment