একজন মাওলানা মাসে বেচা-বিক্রি করেন ৭৫-৮০ হাজার টাকা, বিস্ময়কর হলেও ঘটনা সত্য।
তিনি মুহিবুল্লাহ সাজিদ। একটা সময় সকাল সাড়ে সাতটা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত তিনি মাদরাসায় পড়াতেন, বেতন পেতেন মাত্র ১০ হাজার টাকা।
এই সামান্য টাকায় বাবা-মা, স্ত্রী-সন্তান নিয়ে সংসার চলত খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে।
অনটন দূর করতে মাদরাসার ক্লাশ শেষে বিকেলে মাত্র ৬ হাজার টাকা বেতনে একটি ফুডকোর্টে কাজ শুরু করেন তিনি। সেখান থেকেই রান্নার অনন্য দক্ষতা অর্জন এবং নিজের ব্যবসার স্বপ্ন দেখা। কিন্তু পুঁজি কোথায়?
এ সময় আমাদের 'দক্ষতাভিত্তিক উদ্যোক্তা তৈরি প্রকল্প' থেকে পাওয়া ১ লক্ষ ২৫ হাজার টাকাই বদলে দেয় তার জীবন। জন্ম নেয় তার স্বপ্নের ফুডকোর্ট—মজার হাট।
বর্তমানে তিনি মাসে বেচাবিক্রি করেন ৭৫,০০০ থেকে ৮০,০০০ টাকা। সেখান থেকে লাভ হয় ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা।
ফুটকোর্টের মাধ্যমে নিজে উদ্যোক্তা তো হয়েছেনই, আরও একজনের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছেন।
আনন্দের বিষয় হলো, সফল উদ্যোক্তা হয়েও তিনি মাদরাসায় পড়ানো বন্ধ করেননি। সকালে তিনি মাদরাসায় পড়ান, বিকেল থেকে রাত অবধি ব্যবসা করেন।
তিনি স্বপ্ন দেখেন—একদিন বড় রেস্টুরেন্টের মালিক হবেন এবং মাদরাসায় বিনা পারিশ্রমিকে পড়াবেন।
মুহিবুল্লাহর এই সাফল্যে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন গর্বিত এবং আনন্দিত।
ফুটকোর্টের লোকেশন : মিম হাসপাতালের সামনে, শাসনগাছা রেল গেট, আদর্শ সদর, কুমিল্লা।

No comments:
Post a Comment